চার বছর ধরে বন্ধুর স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ, সাহায্য করত নিজের স্ত্রী!

চার বছর ধরে বন্ধুর স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ, সাহায্য করত স্ত্রী!

কুড়িগ্রামে স্ত্রীর সহায়তায় চার বছর ধরে বন্ধুর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিল মকবুল হোসেন প্রধান নামের এক ব্যক্তি। সেই মকবুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ভুরুঙ্গামারী সার্কেল) শওকত আলীর নেতৃত্বে পুলিশ সাবরেজিস্ট্রার অফিসের সামনে থেকে মকবুলকে গ্রেপ্তার করে। মকবুল হোসেন প্রধানের বাড়ি ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেদার গ্রামে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বাবার বন্ধু মকবুল হোসেন প্রধান তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে প্রথম ধর্ষণ করে।

মেয়েটি এখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। এরপর অসংখ্যবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করে মকবুল। স্ত্রীর সহায়তায় ধর্ষণ শুরু হলেও শেষে বাধ্য হয়ে স্ত্রীই বিষয়টি জনসম্মুখে নিয়ে আসেন। গত বুধবার সকালে মিলনরত অবস্থায় তাদের দেখে ঘটনা জনসম্মুখে নিয়ে আসেন মকবুলের স্ত্রী।

এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লাগে একটি মহল। শেষে সোমবার ওই স্কুলছাত্রী ভুরুঙ্গামারীর কচাকাটা থানায় মামলা করে।

মামলার ভিত্তিতে মকবুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নির্যাতিত মেয়েটি জানায়, বাবার বন্ধু হওয়ায় মকবুল তাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। তাদের পরিবারও মকবুলের বাড়িতে যাতায়াত করত। দুই পরিবারের মধ্যে সখ্য রয়েছে।

সে যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে তখন মকবুল ও তার স্ত্রী মুক্তা বেগম তাকে নিয়ে নাগেশ্বরী উপজেলার সাপখাওয়া গ্রামে মুক্তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে একটি ঘরে মকবুল ও তাকে রেখে মুক্তা ঘরের বাইরে থেকে দরজা আটকে চলে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে মকবুল।

পরে মেয়েটি কান্নাকাটি করলে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেয়। একপর্যায়ে কুড়িগ্রাম সদরে নিয়ে লোক দেখানো বিয়ে করে। তারপর থেকে প্রায়ই ডেকে ধর্ষণ করত মকবুল।

গত বুধবার সকালে তার বাড়ির মুঠোফোনে ফোন দিয়ে পাশের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে মকবুল। এ সময় মকবুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম এসে তাদের দেখে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। পরে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শওকত আলী জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আমরা সোর্স লাগাই। অবশেষে সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলা চত্বরের সাবরেজিস্ট্রার অফিসের সামনে থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে কচাকাটা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

English: 

For four years, a friend was raped by a school girl, she helped!

A man named Maqbool Hossain Major was being raped by his wife for four years with the help of his wife. Police arrested the Maqbool. On Monday, police led by Senior Assistant Superintendent of Police (Bhurungamari Circle) Shawkat Ali arrested Maqbool in front of the sub-divisional office. The house of Maqbool Hossain chief was in East Kedar village of Baldia union under Bhurungamari upazila.

According to local and police sources, while studying in the fifth grade student of the victim, her father’s friend Maqbool Hossain Chief took her first rape and took her to her in-laws’ house.

She now falls in the eighth grade. Then Maqbool raped the girl several times and Maqbool raped her. Although rape was done with the help of the wife, at last the wife made the matter public. Maqbool’s wife came to the public with the incident on Wednesday morning when she saw her in the process.

At the same time, a corpse takes place to hide the incident. At the end, the schoolgirl filed a case with the Kachakata police station of Bhurungamari on Monday.

Police arrested Maqbool on the basis of the case. The victim said that Maqbool used to visit his house because he was a friend of his father. Their family also used to visit Maqbool’s house. There are two family members.

When he fell in the fifth grade, Maqbool and his wife Mukta Begum went to visit his father’s house in the village of Sakshakwa of Nageswari. Keeping the house in a house there and locking him out from the pearl house. Maqbool raped him there.

After the girl cried, she tempted him. At one stage, he got married to Kurigram Sadar. Since then, she often raped and killed Maqbool.

On Wednesday morning, after phone call to her house and raped her in another house, Maqbool raped her. At that time Makbul’s wife Mukta Begum came to see them and beat him. Later the people came and rescued him. Senior Assistant Police Superintendent Shawkat Ali said, after the case of rape, we put the source. Finally, the accused was arrested from the sub-district office of the upazila complex on Monday afternoon. He was handed over to the Kachakata Police Station.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *